রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেহাল বিহারীপুর সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ বাহুবলে পূর্ব বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৪০ সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স

মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধার পুত্রবধূকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কুপিয়ে জখম

কাজী মাহমুদুল হক সুজন, হবিগঞ্জ থেকে : হবিগঞ্জের মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধার পুত্রবধূকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে কুপিয়ে জখম করেছে এক বখাটে। এ ব্যাপারে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন হামলার শিকার গৃহবধূ মোছা. জাহানারা বেগম। ঘটনাটি ঘটে মাধবপুর উপজেলার বহরা ইউনিয়নের দয়ারামপুর গ্রামে। জাহানার বেগম ওই গ্রামের মো. সিরাজ মিয়ার স্ত্রী ও মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসনব আলীর পুত্রবধূ।

মামলায় উল্লেখ্য করা হয়- জাহানারা বেগমের স্বামী জীবিকার তাগিদে প্রায় সময়ই বাহিরে থাকেন। এ সুযোগে একই গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. লিটন মিয়া তাদের বাড়িতে আসা যাওয়া করতেন। এক পর্যায়ে তিনি জাহানারা বেগমকে কুপ্রস্তাব দিতে শুরু করেন। প্রতিনিয়ত কুপ্রস্তাবের কারণে জাহানার বেগম লিটন মিয়াকে তার বাড়িতে আসতে নিষেধ করে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন লিটন মিয়া। গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাহানারা বেগমকে ঘরে একা পেয়ে ঝাপটে ধরেন লিটন। এ সময় লিটন মিয়া জাহানার বেগমের মুখ চেপে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে তিনি ব্যার্থ হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জাহানারা বেগমকে মাথায় কুপিয়ে জখম করেন। একই সময় বাহির থেকে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে তাকে মারপিট করে। এক পর্যায়ে তিনি চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে দূর্বৃত্বরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন জাহানারাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।

এদিকে, এ ঘটনায় গতকাল রবিবার রাত ১২টার দিকে জাহানারা বেগম বাদি হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ব্যাপারে অভিযোগকারী জাহানারা বেগম বলেন- ‘লিটন মিয়া আমাকে ঘরে একা পেয়ে কুপ্রস্তাব দিত। তাই আমি তাকে আমাদের ঘরে আসতে নিষেধ করে দেই। কিন্তু এরপরও সে ঘরে ডুকে আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তার সাথে আরও দুইজন ব্যক্তি ছিলো।’ অভিযুক্ত লিটন মিয়া বলেন- ‘তাদের সাথে একটি জায়গা নিয়ে আমার বিরোধ চলে আসছে। তাই আমাকে ফাঁসাতে তারা এই ঘটনা সাজিয়েছে। মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন মোবাইল ফোনে ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com